Actuality & Potentiality : Proof for Transcendent Reality

ধরুন একটা চেয়ার, যেখানে বসে আপনি এখন লেখাটি পড়ছেন। সেই চেয়ার এ থাকা উপাদান এর মধ্যে চেয়ার তৈরি হওয়ার Potentiality বা সম্ভাবনা ছিলো বলেই কিন্তু চেয়ারটি তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ চেয়ারে থাকা বস্তু বা উপাদান গুলো তে চেয়ার তৈরি হওয়ার একটি সম্ভাবনা ছিলো বলেই উপাদান গুলো মিলে চেয়ার টি actual ফর্মে এসেছে। যেটার মধ্যে পটেনশিয়ালিটি নাই সেটা কখনো মেটাফিজিক্যালি একচুয়ালাইজড হবে না। যেমন চেয়ার তৈরির উপাদানে যদি চেয়ার ফর্ম টির পটেনশিয়ালিটি না থাকতো তবে চেয়ার টি কখনোই একচুয়ালাইজড হতো না। আমাদের বাস্তব জগতে ( concrete world) যা আছে সেগুলো বাস্তব বা একচুয়ালাইজড হওয়ার পূর্বে সম্ভাব্য অবস্থায় ছিলো। সুতরাং সরল বাংলায়, যেটার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না যেটা বাস্তব জগতে ঘটবে না। আর বাস্তব জগতে যা সংঘটিত হয় তা হয় মাল্টিপল পটেনশিয়ালিটি র মধ্যে যেকোনো একটির মধ্যে। আমাদের কনক্রিট ওয়ার্ল্ডে আমরা যে কজাল চেইন দেখি এও কজাল চেইন এর মধ্যে “the effect was in the potentiality in the cause” ইফেক্ট সবসময়ই কার্যকারণ এর মধ্যে সম্ভাব্য অবস্থায় থাকে। কার্যকারণ এর মধ্যে ইফেক্ট পটেনশিয়াল অবস্থায় থাকে এবং যখন তা একচুয়ালাইজড হয় তখনই তা কোনো ইফেক্ট হিসেবে পরিলক্ষিত হয়। যেমনঃ আগুন জিনিস কে পুড়িয়ে দেয়। আগুনের ভেতর পোড়ানো ফর্ম টা সুপ্ত হিসেবে থাকে এবং যখন আগুন কোনো কিছু কে পুড়িয়ে ফেলে তখন ই পোড়ানো ফর্ম টা একচুয়ালাইজড হয়। এটিই হচ্ছে Actuality & Potentiality.

মজার বিষয় হচ্ছে যখন ন্যাচরালিস্ট দের আস্ক করা হয় মহাবিশ্ব কোথা থেকে এসেছে? তারা চেষ্টা করে প্রাকৃতিক একটা ব্যাখ্যা দিতে যেমনঃ শুন্য থেকে, আরেকটি ইউনিভার্স থেকে, অথবা ইউনিভার্স ইজ জাস্ট দেয়ার ( ব্রুটফ্যাক্ট)। শুন্য থেকে হওয়া এবং ব্রুটফ্যাক্ট পসিবল না সেটা নিয়ে আপাতত কথা না বলি। মহাবিশ্ব এসেছে আরেকটা মহাবিশ্ব থেকে এটা নিয়ে কথা বলা যাক। ( বাকিগুলো এমনিই চলে আসবে) মহাবিশ্ব কোথা থেকে এসেছে, মেইনস্ট্রিম সেক্যুলার একাডেমিক দের উত্তর হচ্ছে বিগব্যাং একচুয়ালি কোনো শুরু হয় জাস্ট একটা ইনফ্লেশন ( যদিও বিগব্যাং বাদে বাকি সবই হাইপোথিসিস) । যেমনঃ স্যার রজার পেনরোজ, নিমা আরকানি হামিদ, শন ক্যারল, ভিক্টর স্ট্যাঙ্গার প্রমুখ মিলিট্যান্ট বিজ্ঞানীদের মতামত হচ্ছে হাজারো মহাবিশ্বের মধ্যে আমাদের মহাবিশ্ব একটিমাত্র। অর্থাৎ আমরা প্রতিনিয়ত বিগব্যাং এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। কসমিক সাইক্লিক ইউনিভার্স, স্ট্রিং তত্ত্ব, এমপ্লিটুহেড্রন, প্রোপালেটিক মডেল, মাইক্রোস্কোপিক ইউনিভার্স এসব হাইপোথিসিস এর মূল বক্তব্য একই। but this is really a stupid answer. বিগব্যাং এর পূর্বে আরেকটা বিগব্যাং ছিলো না ইনফ্লেশন এর মাধ্যমে শেষ হয়ে আরেকটা বিগব্যাং হলো এভাবেই চলছে। যদিও আমরা জানি ইনফিনিট রিগ্রেস বা টেম্পোরাল ইভেন্ট পসিবল না মেটাফিজিক্যালি। মেইনস্ট্রিম সেক্যুলার একাডেমিক দের উত্তর এ আমরা দেখতে পাই, This question is simply shifted not answered!

বস্তুজগতের যেহেতু কজাল চেইন রয়েছে বস্তুজগৎ ও অস্তিত্বে আসার পূর্বে সম্ভাব্য অবস্থায় ছিলো। সুতরাং কোনো ফিজিক্যাল আনকনশাস সাবস্ট্যান্স পটেনশিয়াল ফর্ম কে একচুয়ালাইজড করার ক্যাপাবিলিটি রাখে না। সুতরাং মহাবিশ্বের রিগ্রেস এর সম্ভাবনা বাতিল। যেমন একটা প্রোটিন এর কথাই চিন্তা করুন৷ বাই চান্স প্রোটিন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ১০^৭৭ যা প্রায় অসম্ভব। সুতরাং পটেনশিয়ালিটি থাকলেও সেটাকে একচুয়ালাইজড করতে কনশাস একটা এন্টিটি প্রয়োজন যে হবে কজালি ক্যাপাবল। যদি ধরেও নেই শুধুমাত্র ল এর জন্য মহাবিশ্ব অস্তিত্ব এ চলে এসেছে, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্বে ল গুলো পটেনশিয়াল ছিলো সেটা একচুয়ালাইজড হলো কিভাবে? উদাহরণস্বরুপ গাছ থেকে কাঠ৷ এই কাঠের মাধ্যমে চেয়ার, টেবিল, টব ইত্যাদি তৈরির সম্ভাবনা আছে সেগুলো কি বাই চান্স তৈরি হতে পারে কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়া? উত্তর হচ্ছে না। কারণ কজাল প্রিন্সিপাল। ( Cp is intuitive /self evident truth).চিন্তা করুন মহাবিশ্ব কিভাবে কারো হস্তক্ষেপ ছাড়া অস্তিত্ব এ আসতে পারে? যেহেতু আমরা দেখিয়েছি বাই চান্স আসা টা অসম্ভব.. এবং ইনফিনিট রিগ্রেস ও পসিবল নয়। সুতরাং পটেনশিয়ালিটি থাকলেই তা যেকোনো মাধ্যমে একচুয়ালাইজড হতে পারে না যেমন কোয়ার্ক, এটম আরও অন্যান্য পার্টিকেল মিলে ভিন্ন কিছু ও হতে পারতো, অথবা ইউনিভার্স পার্টিকেল এর সমুদ্র হিসেবে অনন্তকাল অবস্থান করতে পারতো, সেইম পার্টিকেল গুলো পটেনশিয়াল ফর্ম এও থাকতে পারতো কিন্তু এতোগুলা সম্ভাবনার মধ্যে একটি সম্ভাবনা কিভাবে একচুয়ালাইজড হলো? সহজ উত্তর ইউনিভার্সের বিয়ন্ডে থাকা কোনো এন্টিটির মাধ্যমে। ট্রানসিডেন্টাল কোনো এন্টিটি। যিনি স্পেস, টাইম এর উর্ধ্বে এবং কজালি ক্যাপাবল। এবং যেহেতু একাধিক অথবা একক সম্ভাব্য তাকে তিনি একচুয়ালাইজড করেন সেক্ষেত্রে তার উইল পাওয়ার থাকার কথা সুতরাং তিনি হবেন একজন ট্রান্সেন্ডেন্ট, আনবডিড কনশাস মাইন্ড এর অধিকারী একজন এন্টিটি বা সত্ত্বা।

References:

[1].Moore, E. C. (1990). Actuality and Potentiality. In The Philosophy of Logical Mechanism (pp. 179-190). Springer, Dordrecht.

[2].Waterlow, S., & Broadie, S. (1988). Nature, change, and agency in Aristotle’s Physics: a philosophical study. Oxford University Press.

[3] Witt, C. (2018). Ways of Being: Potentiality and Actuality in Aristotle’s Metaphysics. Cornell University Press.

[4] Arkani-Hamed, N., & Trnka, J. (2014). The amplituhedron. Journal of High Energy Physics, 2014(10), 1-33.

Facebook
Twitter
LinkedIn
Telegram
WhatsApp

1 thought on “Actuality & Potentiality : Proof for Transcendent Reality”

Leave a Comment

Your email address will not be published.

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

Category